খেয়াল হলো বন্ধুরা মিলে একটু ফুটবল খেলা যাক। তা, আর দেরি না করে, প্ল্যানটা বানিয়ে ফেললাম। ভাবলাম, কোথায় খেলা যায়, আর কিভাবেই বা সব আয়োজন করা যায়, সেটাই আজকের শেয়ার করার বিষয়।
খেলার মাঠ খোঁজা
প্রথমেই দরকার একটা ভালো মাঠ। হাতের কাছেই কয়েকটা অপশন ছিল – এলাকার স্কুল মাঠ, আর কয়েকটা ক্লাব। ফোন দিলাম কয়েক জায়গায়। কথা বলে বুঝলাম, স্কুলের মাঠটা ফ্রি পাওয়া গেলেও একটু সময় নিয়ে ঝামেলা আছে। ক্লাবের মাঠটা আবার একটু বেশিই মেইনটেইন করা, তাই ওখানেই খেলার প্ল্যান করলাম।
টিম গঠন
মাঠ তো ঠিক হলো, এবার টিম বানানোর পালা। বন্ধুদের মধ্যে যারা যারা খেলতে চায়, সবাইকে নিয়ে একটা গ্রুপ বানালাম। সেখানে পোলাপানদের বললাম, কে কোন পজিশনে খেলতে চায়। সেই অনুযায়ী দুটো টিম ভাগ করে নিলাম।
খেলার সরঞ্জাম
টিম রেডি, মাঠ রেডি। কিন্তু, খেলতে তো কিছু সরঞ্জাম লাগবে, তাই না? একটা ভালো ফুটবল, কয়েকটা কোণ (মার্কার), আর দুটো টিম আলাদা করার জন্য জার্সির ব্যবস্থা করলাম।
খেলার দিন
অবশেষে সেই দিনটা এলো। বিকেলে সবাই হাজির মাঠে। ওয়ার্ম-আপ করে খেলা শুরু করলাম। সে কি উত্তেজনা! কেউ গোল দিচ্ছে, কেউ আটকাচ্ছে। বেশ কয়েকটা গোল হলো, কিছু মিসও হলো। সব মিলিয়ে দারুণ একটা সময় কাটালাম।
খেলা শেষে
খেলা শেষে সবাই মিলে একটু জিরিয়ে নিলাম। কে কেমন খেললাম, সেটা নিয়ে চললো হাসি-ঠাট্টা। ঠিক করলাম, পরের সপ্তাহে আবার খেলা হবে।
- খেলার মাঠ: এলাকার ক্লাব মাঠ।
- টিম: বন্ধুদের নিয়ে দুটো টিম।
- ফলাফল: হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, তবে দিনশেষে সবাই বন্ধু।
এই ছিল আমাদের ফ্রেন্ডলি ফুটবল ম্যাচের গল্প। আপনারাও চাইলে এমন আয়োজন করতে পারেন। মজাও হবে, আবার শরীরটাও ভালো থাকবে।

还没有评论,来说两句吧...